
যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় মহাসড়কে পুলিশের টহল গাড়ির সামনে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল করার ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সানতুর নির্দেশে তাদের ক্লোজড করা হয়েছে।
ক্লোজড হওয়া সদস্যরা হলেন- যমুনা সেতু পশ্চিম থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম আরিফ, গাড়িচালক কনস্টেবল আব্দুল গফুর, কনস্টেবল মোরশেদুল ইসলাম ও নাসিমুজ্জামান।
অন্যদিকে, মিছিলের পর গত দুই দিনে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন- জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহসভাপতি লিটন সেখ, ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস আলী নিশাত, চান সেখ, রবিউল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাজু ও আরমান আলী।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলের সময় ঘটনাস্থলে পুলিশের ভ্যান দেখা গেছে। ওই সময় দায়িত্বে থাকা সদস্যদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ভ্যানে থাকা চার সদস্যকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার ভোরে যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়ক এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান জানান, মিছিলের ঘটনার পর বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতেই সিরাজগঞ্জ ও কামারখন্দ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।